DPE Notice

প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ বিধিমালা ও জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ নীতিমালা ২০২৫

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জ্যৈষ্ঠতা কিভাবে নির্ধারণ হয়? আজ আমরা এই বিষয়ে জেনে নিবো জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ নীতিমালার আলোকে।

জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ বিধিমালা ২০২৫ অনুসরণে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সর্বশেষ জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের নির্দেশনা ২০২০। এই নিয়ম অনুসারে জেষ্ঠতা তালিকা নির্ধারণ হবে। আর বিধি ৪(১)(ক) ও বিধি ৪(১)(খ) ক্যাডার, নন ক্যাডার জেষ্ঠতার নীতিমালা দেওয়া হলো যার মাধ্যমে সহজেই আপনার জ্যৈষ্ঠতা কার পরে তা নির্ধারণ করতে পারবেন

জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ নীতিমালা ২০১১

৪ঠা মে ২০১১ এ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের ৪(১) “ক” এ বলা আছে পুর্ববর্তী উম্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ পরবর্তী উম্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের উপর জ্যৈষ্ঠতা পাইবে। ৪ঠা মে ২০১১ এ প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনের ৪(১) “খ” এ বলা আছে মেধা তালিকা না থাকিলে বা পাওয়া না গেলে তাদের পারস্পরিক জ্যৈষ্ঠতা বয়সের ভিত্তিতে নির্ধারিত হইবে। কিন্তু এক্ষেত্রে নিয়োগকারি কর্তৃপক্ষ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এবং গ্রেডেশন নীতিমালা অনুসারে গ্রেডেশান তালিকা প্রণয়ণ করেন উপজেলা শিক্ষা অফিস। সেক্ষেত্রে উপজেলা শিক্ষা অফিস মেধাতালিকা যাচাইয়ের সূযোগ নেই।

মেধাতালিকার ভিত্তিতে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

মেধাতালিকা না থাকলে কিভাবে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ হয়?

আবার, সহকারি শিক্ষক পদের জন্য কোন প্রকার মেধাতালিকা সংরক্ষণ ও করা হয়নি কিংবা সংরক্ষণ কপি পাওয়া যাচ্ছেনা সেক্ষেত্রে একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অধিনে বয়স ভিত্তিতেই পারস্পরিক জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারিত হবে। অন্যদিকে মেধাতালিকা এক হলেও রোল নম্বরের কারণে একই মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি ক্রমানুসারে লিপিবদ্ধ হয়। আবার বিভিন্ন কোটা যাচাইকালে, এবং শুণ্য পদের সৃষ্টি ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার কারণে ও একই মেধাসম্পন্ন ব্যক্তি ভিন্নস্তরে বা নিচের দিকে অবস্থান করতে পারে।

২০ জুন ২০০৫ প্রজ্ঞাপন, ৪মে ২০১১ প্রজ্ঞাপন, ১ আগস্ট ২০১৩ প্রজ্ঞাপন, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ প্রজ্ঞাপন এবং সবশেষে এস আর ও নম্বর ৮৮-আইন/২০১৯ এর কোথাও একই উম্মুক্ত তালিকায় নিয়োগকৃত ব্যক্তির আলাদা স্বারকে নিয়োগের ক্ষেত্রে আলাদা ভাবে বয়স বা যোগ্যতা ভিত্তিক পৃথক পৃথক ভাবে গ্রেডেশানের সুযোগ রাখা হয়নি।

সেক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন স্বারকে বা ভিন্ন তারিখে নিয়োগ হলেও ৪(১) ধারা মোতাবেক একই উম্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ পরবর্তী উম্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণের উপর জ্যৈষ্ঠতা পাইবে এবং একই উম্মুক্ত তালিকায় নিয়োগকৃত ব্যক্তির আলাদা স্বারকে নিয়োগ হলেও একই পদের ক্ষেত্রে অবশ্যই বয়স বিবেচনা করে সমন্বিত জ্যেষ্ঠ্যতা নির্ধারণ করতে হইবে।

নিয়মিতকৃত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

জুন ২০,২০০৫ এর সংস্থাপন মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি শুধুমাত্র “আইডিএ সাহায্যপুষ্ট ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প এবং এডিবি সাহায্যপুষ্ট চট্টগ্রাম,সিলেট ও বরিশাল বিভাগের প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প নিয়োগকৃত কর্মকর্তা –কর্মচারীর রাজস্ব বাজেটের পদে নিয়মিতকরণ ও জ্যেষ্ঠ্যতা নির্ধারণ বিধিমালা” হিসাবে পরগণিত। এতে স্পষ্টভাবে ২(খ), (গ), (চ), (ছ) উপবিধিতে যথাক্রমে উন্নয়ন প্রকল্পের চাকুরীকাল, উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিয়মিতকরণ, রাজস্ব বাজেটের পদ, সাময়িকভাবে পদস্থ এর সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেয়া আছে।

এ অবলম্বনে উক্ত প্রজ্ঞাপনের ৬(১) ধারায় জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ বিষয়ে বলা হয়েছে “এই বিধিমালার অধীনে নিয়মিতকৃত কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তাহার চাকুরী নিয়মিতকরণের তারিখ হইতে গণণা করিতে হইবে।” আবার ৭ নং ক্রমিকে স্পষ্ট বলা আছে নিয়মিতকৃত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর উন্নয়ন প্রকল্পে চাকুরীকাল তাহার বেতন, ছুটি, পেনশন ও আনুষঙ্গিক সুবিধাদি নির্ধারণের ক্ষেত্রে গণণা করা হইবে।

অন্যদিকে নিয়োগ পত্রে বলা আছে প্রকল্পের মেয়াদ শেষে রাজস্বে স্থানান্তর করা হতে পারে সেক্ষেত্রে প্রকল্পকালীন চাকুরীকাল কোন ক্রমেই জুন ২০, ২০০৫ প্রজ্ঞাপন এর ২(খ), (গ), (চ), (ছ) এবং ৬(১) অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ এর ক্ষেত্রে বিবেচিত হইবেনা। এ বিধিমালা জুন, ২০০৫ এ জারি হয় এবং বিশেষ আইনের মাধ্যমে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হয় তাই উক্ত আইনের অধীনে নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যাক্তি জুন ২০, ২০০৫ এর পূর্বে গ্রেডেশনভুক্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

০১ আগস্ট, ২০১৩ প্রজ্ঞাপন অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বিধিমালা, ২০১৩
পর্যালোচনা সাপেক্ষে ৯ নং ক্রমিকে বলা আছে বিধি ৪ এর অধীন কোন শিক্ষকের নিয়োগ প্রদানের তারিখ হইতে কার্যকর চাকুরিকালের ভিত্তিতে শিক্ষক পদে তাহার জ্যেষ্ঠতা গণণা করা হইবে। উক্ত তারিখের অব্যবহিত পূর্বে নিয়োগবিধির অধীন শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিম্নে উক্ত শিক্ষকের অবস্থান নির্ধারিত হইবে। এ বিধি ১ জানুয়ারি, ২০১৩ থেকে কার্যকর বিধায় উক্ত আইনের অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তি কোন ক্রমেই ২০১৩ সালের পূর্বে উম্মুক্ত প্রজ্ঞাপনের অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির উপরে গ্রেডেশন নির্ধারণের সুযোগ নেই।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর স্বারক নং ৯টি-৬-বিদ্যা-বরি/২০০৩/৪১৩/১০৪০ তারিখ ০৫-০৫-২০০৪
এ বলা আছে “সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ সিনিয়রিটি অনুযায়ী প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির সময় কোন কারণে স্বেচ্ছায় একবার পদোন্নতি গ্রহণে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের তারিখের পূর্বের সিনিয়রিটি বাতিল বলে গণ্য হবে। পরবর্তীতে পদোন্নতির বিষয় সিনিয়রিটি নির্ধারণের ক্ষেত্রে তার অস্বীকৃতি জ্ঞাপনের তারিখ থেকে তার চাকুরীকাল গণণা করে সিনিয়রিটি নির্ধারণ করিতে হইবে।” এ আদেশ মতে পূর্বে অপারগতা প্রকাশ করা শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ ২০১৭ সালে নিয়োগকৃত শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের নিম্নে অবস্থান করবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে এসব নির্দেশনাগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও অনুসরণীয়।

প্রাথমিক শিক্ষক জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ নীতিমালা ২০১৯

নিয়োগ বিধি ২০১৯( ৬) নং ক্রমিকে বলা হয়েছে স্বীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে আবেদন করিয়া কোনো ব্যক্তি নিয়োগপ্রাপ্ত হইলে উক্ত নিয়োগ নতুন নিয়োগ হিসেবে গণ্য হইবে এবং তাহার পূর্ব চাকুরীকাল শুধু পেনশন ও বেতন সংরক্ষণের জন্য প্রযোজ্য হইবে। তবে শর্ত থাকে যে, জ্যৈষ্ঠতা বা অন্য কোনো আর্থিক সুবিধাদির জন্য উক্ত কর্মকাল গণণাযোগ্য হইবেনা। সেক্ষেত্রে চাকুরীকাল ও জ্যৈষ্ঠতা এক নয়। তাই চাকুরীকাল গণনা করে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ করার কোন সুযোগ নেই।

সমন্বিত গ্রেডেশন তালিকা সম্পর্কিত নির্দেশনাবলী:

২৩/১০/২০২২ খ্রি: তারিখ অফিস সময়ের মধ্যে প্রাপ্ত আবেদনের বিপরীতে তথ্য পরিমার্জনের নিমিত্তে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট সফটওয়্যার সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিপরীতে এডিট অপশন এনাবল করার জন্য আবেদন প্রেরণ করা হয়েছে।

১। পিইডিপি-২/পিইডিপি-৩ এর অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকগণ রাজস্ব হিসাবে অন্তর্ভূক্ত হবে।

২। যে সকল বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কিংবা প্রধান শিক্ষক বিগত ০৩ বৎসরে চাকুরীচ্যুত/বরখাস্ত/পদত্যাগ/মৃত/বিনা অনুমতিতে ছুটি ইত্যাদির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন তাদের তালিকা সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিংবা ভারপ্রাপ্ত/চলতি দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক আগামী ২৫/১০/২০২২ খ্রি: তারিখ অফিস সময়ের মধ্যে লিখিত আকারে তথ্য জমা করবেন।

৩। বেসরকারি বিদ্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কিংবা জাতীয়করণ বিদ্যালয়ে বেসরকারিভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে পরবর্তীতে (২০১৩/২০১৪ বা অন্যান্য সালে) রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত হয়েছেন তারা নিয়োগের ধরণের কলামে জাতীয়করণকৃত লিখবেন, কোন অবস্থাতে রাজস্ব লেখা যাবে না।

৪। ২০২০ সালে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মেধাক্রম সংশোধনের কাজ চলমান। সংশোধনের কাজ শেষ হলে ক্রমিক নম্বর ঠিক হয়ে যাবে।

৫। অন্য উপজেলা থেকে বদলী হয়ে আগত শিক্ষকরা অবশ্যই উক্ত কলামে হ্যাঁ লিখবেন।

জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ নীতিমালা

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২০ সালে একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার আলোকে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ বিধিমালা ২০২৫ অনুসারে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ করা হয়।

জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ নীতিমালা ২০২৪

  • মেধাতালিকার ভিত্তিতে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

একই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে মেধাতালিকার ভিত্তিতে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ করা হয়। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নীতিমালা ২০২৫ অনুযায়ী, মেধাতালিকা না থাকলে বা পাওয়া না গেলে বয়সের ভিত্তিতে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ করা হয়।

  • নিয়মিতকৃত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

২০ জুন ২০০৫ সালের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, নিয়মিতকৃত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে চাকরির নিয়মিতকরণের তারিখ থেকে গণনা করা হয়। অর্থাৎ, উন্নয়ন প্রকল্পে চাকুরীকালের কোন জ্যৈষ্ঠতা দেওয়া হয় না।

  • অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

২০১৩ সালের প্রজ্ঞাপন অনুসারে, অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রদানের তারিখ থেকে গণনা করা হয়। অর্থাৎ, ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারির পূর্বে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের জ্যৈষ্ঠতা নব জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের নিচে দেওয়া হয়।

জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের কয়েকটি উদাহরণ

  • মেধাতালিকার ভিত্তিতে জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

ধরুন, ২০২৫ সালের ১ জুলাই সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়া দুজন শিক্ষকের মধ্যে একজনের মেধাক্রম ১০০ এবং অন্যজনের মেধাক্রম ১০১। তাহলে, মেধাক্রমের ভিত্তিতে প্রথম শিক্ষকের জ্যৈষ্ঠতা হবে ১০১ এবং দ্বিতীয় শিক্ষকের জ্যৈষ্ঠতা হবে ১০২।

  • নিয়মিতকৃত কর্মকর্তা বা কর্মচারীর জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

ধরুন, ২০১০ সালের ১ আগস্ট একজন কর্মকর্তাকে নিয়মিতকরণ করা হয়। ২০১৫ সালের ১ আগস্ট তিনি অন্য পদে নিয়োগ পান। তাহলে, তার জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ২০১০ সালের ১ আগস্ট থেকে গণনা করা হবে। অর্থাৎ, তার জ্যৈষ্ঠতা হবে ২০২৫ সালের ১ আগস্টের তারিখ অনুযায়ী।

  • অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণ

ধরুন, ২০১২ সালের ১ জানুয়ারির পূর্বে একজন শিক্ষককে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারিতে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ করা হয়। তাহলে, তার জ্যৈষ্ঠতা নির্ধারণের ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারির তারিখ থেকে গণনা করা হবে। অর্থাৎ, তার জ্যৈষ্ঠতা হবে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারির তারিখ অনুযায়ী।

আমাদের ওয়েবসাইটে আপনি সকল শিক্ষা অধিদপ্তরের আপডেট নিউজ পাবেন। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের dpe result, dpe notice ইত্যাদি সবার আগে পেতে আমাদের ওয়েবসাইট IPEMISDPE বুকমার্ক করে রাখুন। এখানে আপনি সংশ্লিষ্ট গ্রেডেশন নীতিমালা সম্পর্কেও নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে পারবেন।

FAQ

জ্যেষ্ঠতা কি?

জ্যেষ্ঠতা হল কোনও ব্যক্তির অভিজ্ঞতার স্তর।

নন ক্যাডার জ্যেষ্ঠতা বিধিমালা

নন ক্যাডার জ্যেষ্ঠতা বিধিমালা হলো নন ক্যাডার কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণের জন্য প্রণীত সরকারি নীতিমালা।

নন-ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারী (জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি) বিধিমালা

নন-ক্যাডার কর্মকর্তা ও কর্মচারী (জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতি) বিধিমালা হলো নন-ক্যাডারদের জ্যেষ্ঠতা ও পদোন্নতির নিয়ম নির্ধারণে প্রণীত সরকারি নীতিমালা।

Nirob

আমি নিরব। এটি আমার বাংলা শিক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট। যেখানে আমি প্রতিনিয়ত শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন বিষয়ে লেখা প্রকাশ করি।